অর্থ: সকল সম্মান, সকল ইবাদত ও সকল পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহর রহমত ও তাঁর বারাকাত সমূহ। আমাদের উপর এবং আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসূল।
হাদিস: "নবী (সা.) এভাবে তাশাহুদ পড়তেন।" (সহীহ বুখারী, ۶২৬৫)
অর্থ: হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীম (আ.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত, মহিমান্বিত। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর বরকত দান করুন, যেমন আপনি ইব্রাহীম (আ.) ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর বরকত দান করেছিলেন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত, মহিমান্বিত।
হাদিস: "যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন।" (সহীহ মুসলিম, ৪০৮)
১১. সালাম দেওয়া (নামাজ শেষ করা)
প্রথমে ডান দিকে "আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ" বলে তারপর বাম দিকে একইভাবে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবেন।
السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ
অর্থ: আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
হাদিস: "নবী (সা.) ডান ও বাম দিকে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করতেন।" (সহীহ মুসলিম, ৫৮২)
বিশেষ নির্দেশনা:
ফরজ নামাজে কিরাআত (কোরআন তিলাওয়াত) নীরবে পড়তে হবে (যোহর, আসর)।
সিজদায় নাক, কপাল, দুই হাত, দুই হাঁটু এবং দুই পায়ের আঙ্গুল মাটিতে স্পর্শ করতে হবে।
নামাজের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া করা মাকরূহ (অপছন্দনীয়)।
কব্জা বাঁধার সময় ডান হাতের আঙ্গুলগুলো বাম হাতের কব্জায় রাখবেন।